স্বপ্নহীনা ইমরান বিপু
ভুলেও কাওকে জানতে দেয়া যাবে না , কারন স্বপ্নহীনা চায় ইমরান সব সময় এমন করে তার ভালবাসা কেরে নেক , আচ্ছা আমি ওকে এত ভালবাসি কেন নিজ মনে প্রশ্ন করে স্বপ্নহীনা রিক্সায় উঠে সজা কাজী অফিস , রিক্সায় উঠেই স্বপ্নহীনা বলা শুরু করলো শুনো আমি কিন্তু তোমার থেকে দূরে দূরে থাকবো একদম কাছে আসবো না ।
আমার
লজ্জা লাগবে বলেই একটা লাজুক হাসি স্বপ্নহীনা, আবার বলা শুরু করে শুনো না কাজী যখন
বিয়ে পরাবে ঠিক তখন তুমি আমার হাত শক্ত করে ধরে থাকবে , না হয় আমি যদি পালিয়ে যাই ।
….বলেই
আবার হাসি ।
আচ্ছা,
আজ স্বপ্নহীনার এত খুশি খুশি লাগছে কেন , যাই দেখে তাই ভাল লাগে । স্বপ্নহীনা বলে উঠে
শুনো তুমি আমকে ছেড়ে কোথাও যাবে না এমন কি অফিসে যাবার সময় আমাকে নিয়ে যাবে আমি তোমাকে
এক মুহূর্তের জন্য ও ছাড়ছি না মিটার
কারন আজ থেকে আমিই তোমার
মিসেস বলেই আবার হাসি , রিক্সাওলা পিছন ফিরে বলে আপা কি বলেন এই সব , স্বপ্নহীনা দমকের সুরে বলে আপনি সামনে তাকিয়ে চালান,
কাজী অফিসের প্রবেশর আগে স্বপ্নহীনা মাথায় গুমটা দিল কাজীর আগে থেকেই তারিখটা মনে ছিল
।
স্বপ্নহীনা কে দেখে বললো
বসো “মা” স্বপ্নহীনা ও লক্ষ্মী মেয়ের মত সামনে
বসে পড়লো আর সেই মুহূর্তের অপেক্ষা করতে লাগলো অবশেষে পার হয়ে গেল সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত স্বপ্নহীনা কাজীকে মিষ্টি খাইয়ে বাকি মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে আবার
রিকশা নিলো যেতে যেতে একটি ফুলের দোকান
থেকে একটি গোলাপের তোরাও কিনলো , কেন জানি স্বপ্নহীনার এখন লজ্জা লজ্জা লাগছে । ভেবে
ছিল অনেক কিছু বলবে কিন্তু এখন কিছুই বেরহচ্ছে
না তার মুখ থেকে শুধু লজ্জা পাচ্ছে আর নিজেকে হারিয়ে ফেলছে
অবশেষে রিকশাওলা থামলো খুব পুরনো একটা জায়গায় স্বপ্নহীনা
ধিরে ধিরে এগিয়ে যাচ্ছে হাতে ফুলের তোরা আর মিষ্টির প্যাকেট একটি উঁচু জায়গায়
রাখলো আর ঠিক সেই সময় তার চোখের কাজল নষ্ট হয়ে গেল ধিরে ধিরে ঝাপসা হতে শুরু করলো তার চোখ খোলা
আকাশ নীল শাড়ি কাজল কালো চোখ মেহেদি মাখা হাত নিয়ে অঝরে কাঁদছে স্বপ্নহীনা
বোলাচ্ছে একটা লেখার উপর সেখানে লিখা ইমরান বিপু মৃত্যু ১৫জানুয়ারি আশ্চর্য
ব্যাপারটা ওদের বিয়েটাও হয়েছিলো ১৫ জানুয়ারি আর আজ ওদের বিবাহ বার্ষিকী , কাঁদছে স্বপিনহীনা
হাত বোলাচ্ছে কবরটা উপর কোণ এক অদৃশ্য বলছে ইমরান এখন স্বপ্নহীনার কোলের উপর
মাথা রেখে শুয়ে আছে আজ তারা কাদবে ভালবাসার কান্না যদি মন কাদে তুমি চলে এসো আমার কাছে
সমাপ্ত
Comments
Post a Comment