মনের এর মাঝে ভাল থাকার একটুস খানি আজও, দশ মিনিট হয় তো খুব বেশি নয় , দশটা বছর যখন সাথে থাকার প্রতিজ্ঞা নেয়া হয় , সেই দশটি বছর কেমন করে যেন অনন্ত কাল হয়ে যায় , ভুল করে হলেও যদি সময়টা শুধু প্রিয় মানুষ টার জন্যে হয় , ভাল লাগে সেটা সাহস করে বলা হবে না হয় তো , জানা হবে না , তুমি কি চাও মন থেকে ঠিক সেটাই , যেটা আমি চাই , মনে প্রাণে , এটাই বিশ্বাস করে বেচে থাকবো যে তুমি আমারি ছিলে , আমারি রবে শেষ দিনটা পর্যন্ত , পাশে পাই আর না পাই
Posts
Showing posts from December, 2019
- Get link
- X
- Other Apps
নিজের অস্তিত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার যুদ্ধে আহত হৃদয়ের অপ্রকাশিত রূপ আমি। এসেছি সকলের স্মৃতির পাতায় নিজের নাম লেখার তাগিদে। ছোট থেকেই লেখার প্রতি অদ্ভুত একটা আকর্ষন ছিল। পরবর্তী কালে লেখাটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখলাম আমাদের সমাজ নতুন দের গ্রহণ করতে একটু দ্বিধাবোধ করে। অনেক চেষ্টা করেও যখন কোনো লাভ হলো না তখন সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নিতে বাধ্য হলাম। আমার অপ্রকাশিত লেখা আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
- Get link
- X
- Other Apps
শিরোনামঃ ওরে নীল দরিয়া কন্ঠঃ আব্দুল জব্বার সুরকারঃ আলম খান গীতিকারঃ মুকুল চৌধুরী ছায়াছবিঃ সারেং বউ ওরে নীল দরিয়া আমায় দেরে দে ছাড়িয়া বন্দী হইয়া মনোয়া পাখি, হায়রে কান্দে রইয়া রইয়া। কাছের মানুষ দুরে থুইয়া, মরি আমি ধড়-ফড়াইয়া,রে দারুণ জ্বালা দিবানিশি অন্তরে অন্তরে আমার এত সাধের মন বধূয়া হায়রে কি জানি কি করে ওরে সাম্পানের নাইয়া, আমায় দেরে দে ভিড়াইয়া বন্দী হইয়া মনোয়া পাখি, হায়রে কান্দে রইয়া রইয়া ওরে সাম্পানের নাইয়া হইয়া আমি দেশান্তরী দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী,রে নোঙর ফেলি ঘাঁটে ঘাঁটে বন্দরে বন্দরে আমার মনের নোঙর পইড়া রইছে হায়রে সারেঙ বাড়ির ঘরে এই না পথ ধইরা আমি কত যে গেছি চইলা একলা ঘরে মন বধূয়া আমার আমার রইছে পন্থ চাইয়া
- Get link
- X
- Other Apps
যে ছিল দৃষ্টির সীমানায় যে ছিল হৃদয়ের আঙ্গিনায় সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায় সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি তার চোখে চেয়ে স্বপ্ন আঁকিনি। যত খানি সুখ দিয়েছিলো তার বেশী ব্যাথা দিয়ে গেল স্মৃতি তাই আমারে কাঁদায় । সে হারালো কোথায় কোন দূর অজানায় সেই চেনা মুখ কতদিন দেখিনি তার চোখে চেয়ে স্বপ্ন আঁকিনি ।। যতটুকু ভুল হয়েছিলো তার বেশী ভুল বুঝেছিলো কি যে চায় বলেনি আমায় ।
- Get link
- X
- Other Apps
আমরা কতজন জীবন সম্পর্কে একটু গভীরভাবে ভাবি? প্রতিনিয়ত আমরা কত তুচ্ছ বিষয় নিয়েই না ব্যস্ত থাকি। কে কী বলল, কী করল ইত্যাদি নিয়ে আমাদের ভাবনার যেন শেষ নেই। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি? জীবন মানে কি কেবল এটুকুই? তাহলে আসুন জেনে নেয় জীবনের সবচাইতে কঠোর ৫টি সত্য। যদি যেগুলো একবার মন থেকে মেনে নিতে পারেন, জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিটাই বদলে যাবে আপনার। ১)নিজের সমস্যা নিজেকেই সমাধান করতে হয় হ্যাঁ, যতই আপনার অঙ্কে আপন মানুষ থাকুক না কেন, সমস্যার সময়ে আসলে কাউকেই পাওয়া যায় না। শুধু আপ নি নন, এই পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষকেই নিজের সমস্যা নিজে সমাধান করতে হয়। আর তাই, কাজ করুন ভেবেচিন্তে। মনে রাখবেন, নিজে ঝামেলা তৈরি করলে ফেঁসে যাবেন কেবল আপনি একাই। ২) জীবন “পারফেক্ট” হওয়া সম্ভব না একটা পারফেক্ট জীবনের স্বপ্ন সবাই দেখি। কিন্তু আসলে কেউই ভেবে দেখি না যে জীবনের সবকিছু শতভাগ নিজের মনের মত হওয়া আসলে মোটামুটি অসম্ভব একটি ব্যাপার। পৃথিবীর সবচাইতে সফল, সবচাইতে ধনী ব্যক্তিটিও নিজের জীবনকে পারফেক্ট বলতে পারবেন না। কেন? কারণ মানুষের আর চাহিদার শেষ নেই আর এই অন্তহীন চাহিদা মানুষের মনে অতৃপ্তি আজীবন ...
- Get link
- X
- Other Apps
লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে পুলিশ অফিসার ও মেহেরুন থানায় ফেরার উদ্দেশ্যে গাড়ি ওঠে। চলন্ত গাড়ির ভেতর আচমকা পুলিশ অফিসার হেসে ওঠে। মেহেরুন কিছু বিচলিত হয়ে প্রশ্ন করে, “স্যার,হাসছেন কেনো?’’ “খুনী ধরা পড়ে গেছে।’’ “কিহ!কখন?কিভাবে?’’ পুলিশ অফিসার তার ফোনটা বের করে একটা ভায়েজ রেকর্ডে গিয়ে একটা ভয়েজ ক্লিপ চালু করলেন। “স্যার,আমরা লাইব্রেরীয়ানকে খুঁজতে খুঁজতে একটা বাড়ির সামনে এসেছি। আমার সন্দেহ লাইব্রেরীয়ান ভেতর।’’ পুলিশ অফিসার প্রতিউত্তরে বলে, “তুমি ভেতরে গিয়ে দেখো।’’ “ওকে স্যার।’’ সেকেণ্ড দুয়েক নিস্তব্ধতা তারপর “স্যার একটা চিৎকারের শব্দ পেয়েছি। আপনি দ্রুত চলে আসুন, মনে হয় খুনী এখানেই।’’ পুলিশ অফিসার ভয়েজ ক্লিপটা বন্ধ করে বললেন, “কী বুঝলেন?’’ “আপনার আর আপনার সহকারীর কথোপকথন।’’ “ভালো করে লক্ষ্য করে দেখেছেন আমার যখন ঘরে প্রবেশ করি তখন রুমে প্রচুর ধোঁয়া ছিল। যার ফলে আমাদের চোখ জ্বলে।’’ “হ্যাঁ তো?’’ “এর মানে রুমের দরজা কখন খোলাই হয়নি। অর্থাৎ আমার সহকারী কখন বাড়ির ভেতরেই যায়নি।’’ “কিন্তু আপনার সহকারী তো রুমের….’’ কথাটা বলতে গিয়েও থেমে গেলো মেহেরুন। একটা টানা হাসি দিয়ে সে বলল, ...
- Get link
- X
- Other Apps
# মুখোশের_আড়ালে # পর্ব_৫ . . . বাইরে থেকে মাত্রই এসে বিছানায় শরীরটা এলিয়ে দিলো উষ্ণ । শরীরের উপর অনেকখানি ধকল গিয়েছে । আজ তার বন্ধুর বিয়ে হয়েছে । বন্ধুর বিয়েতে তোলা ছবি আপলোড করার জন্য ফেবুতে ঢুকলো উষ্ণ । 'ডানা কাটা পরী' নামের আইডি থেকে রিকোয়েস্টটা চোখে পড়লো তার । আইডিটা দেখে অজান্তেই উষ্ণের মুখে হাসি চলে এলো । বিড়বিড় করে উষ্ণ বললো- রুচির বড়ই অভাব । কেনো যেনো আইডিটা ঘুরে দেখতে ইচ্ছে হলো উষ্ণের । প্রোফাইলে ঢুকতেই কবিতাটি চোখে পড়লো তার । পড়তে থাকলো সে --------- যদি কখনো হারিয়ে যাই খুঁজবে আমায়? চারিদিকে দিশেহারা হয়ে পাগল প্রেমিকের মতো? দিনশেষে যখন উদ্দীপ্ত সূর্য অস্ত যাবে, তখনও কি তুমি আমাকে খুঁজবে? নাকি আর পাওয়া যাবে না বলে হাল ছেড়ে দেবে? ঝিলমিল জ্যোৎস্না রাতে যখন পাখিগুলো নীড় থেকে বেরিয়ে উড়বে, অনন্য জ্যোৎস্না বিরাজ করবে এ ভূবনে তখন আমার হাতটুকু ছোঁয়ার জন্য হলেও কি তুমি আমাকে খুঁজবে না? নাকি এভাবে আড়ালেই রাখবে চিরজীবনের জন্য? . কবিতার প্রতি আকর্ষণ রয়েছে উষ্ণের ৷ এটা অস্বীকার করার মতো কিছু নেই । তবে আজ সে কবিতার চেয়েও বেশি লেখার প্রতি আকর্ষিত হয়েছে । কেননা লেখাগুলো তার বড্ড পরিচ...
- Get link
- X
- Other Apps
চাঁদনী রাইতে নদীর ওপারে আকাশ থেইকা নামলো পরী আমার চোখে চলে ঘোরগাড়ি আমি হাবলায়, নদীর এপারে ঘুমের ঘোরে দেখি তারে ছবির মত ডাকে আমারে দেখাও কত রঙিন ছবি ছবির আশায় হারাইলাম সবই দয়াল বানাও কত মায়ার ছবি ছবির নেশায় ছাড়লাম সবই আসার কালে ছিলাম ঘুমে কিবা আলো আঁধার ঘুম ভাঙাইলা অসময়ে দয়াল কইরা ছবির শিকার বুঝলাম দয়াল তোমার রীতি ছবিরও খেলায় বুইঝা আবার যাই হারাইয়া রঙিন ছবির মেলায় ঘুম ভাঙিয়া আবার ঘুমাই দেখাযায় ছবি নেশা কি লাগাইলা ছবিতে দয়াল কি মায়ার ছবি দেখাও কত রঙিন ছবি ছবির আশায় হারাইলাম সবই দয়াল বানাও কত মায়ার ছবি ছবির নেশায় ছাড়লাম সবই আমি হাবলায়, নদীর এপারে ঘুমের ঘোরে দেখি তারে ছবির মত ডাকে আমারে
- Get link
- X
- Other Apps
ভালোবাসি, ভালোবাসি ধরো কাল তোমার পরীক্ষা, রাত জেগে পড়ার টেবিলে বসে আছ, ঘুম আসছে না তোমার হঠাত করে ভয়্যান্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম- ভালবাসো? তুমি কি রাগ করবে? নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে, ভালোবাসি, ভালোবাসি….. ধরো ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছ, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত পীড়িত, খাওয়ার টেবিলে কিছুই তৈরি নেই, রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘামান্ত , আমি তোমার হাত ধরে যদি বলি- ভালবাসো? তুমি কি বিরক্ত হবে? নাকি আমার হাতে আরেকটু চাপ দিয়ে বলবে, ভালোবাসি, ভালোবাসি….. ধরো দুজনে শুয়ে আছি পাশাপাশি, সবেমাত্র ঘুমিয়েছ তুমি দুঃস্বপ্ন দেখে আমি জেগে উঠলাম শতব্যস্ত হয়ে তোমাকে ডাক দিয়ে যদি বলি-ভালবাসো? তুমি কি পাশ ফিরে শুয়ে থাকবে? নাকি হেসে উঠে বলবে, ভালোবাসি, ভালোবাসি….. ধরো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি দুজনে, মাথার উপর তীব্র রোদ, বাহন পাওয়া যাচ্ছেনা এমন সময় হঠাত দাঁড়িয়ে পথ রোধ করে যদি বলি-ভালবাসো? তুমি কি হাত সরিয়ে দেবে? নাকি রাস্তার সবার দিকে তাকিয়ে কাঁধে হাত দিয়ে বলবে, ভালোবাসি, ভালোবাসি…।।...