ছাইড়া যাওয়ার নিয়ম কানুন বড়ই অদ্ভুত....
যে যাই সে সবটা নিয়া গেলেও পারতো টাইপের অনুভুতি আসে। আবার যাওনের আগে রাইখা দিতেও মন চাই না। রাইখা দিলে কিং সাইজের জয়েন্ট ধরাইয়া ছাইড়া যাওয়ার গল্প শোনাইবো কেডায়।
শক্ত কইরা জড়াইয়া ধরার পর হুট কইরা ছাইড়া দিলে সেই ছাড়া ছাড়ির সাথে ভুজুংভাজুং মিশাইয়া নাম দিতাম অভিমান। অভিমানের সাক্ষী সাবুত রাইখা দিতাম না, তবে ধুইয়া দিতাম।
তোমারে যখন ফোনে পাইতাম না তোমার মায়ের নাম্বারে মায়া মাইনসের গলা নকল কইরা ফোন দিতাম। তোমার মায়ে না চিনলেও তুমি চিনতা তবুও কথা না বইলা চইলা যাইতা। আবার ফোন দিতাম, তোমার মায়ে গালিগালাজের মাইরে বাপ কইরা দিয়া ফোন কাইট্টা দিতো। সেইডাও এক প্রকার ছাইড়া দেওয়া। গল্প আর উপন্যাসে হেইডারে কয় অবহেলা।
তোমার কলেজের বান্ধবীরা জানে তোমার লাইগা কত্তোজনরে ছাইড়া দিছিলাম। তোমারে কখনও জানাই নাই।
তোমার পিছের জানালার নিচে যে ভাঙ্গা বারান্দাটা আছে ঐখানে আমার কিছু ছুরি কাচি বেলেট আর আমার ছাইড়া যাওয়া রক্ত আছে। ইচ্ছা হইলে ওদের কাছ থেইকা জাইনা নিও আমার রক্তে শুধু হিমোগ্লোবিন না তুমিও থাকতা।
ফাও প্যাচাল পাইড়া আর লাভ কি।
বিয়ের জন্য কেনা ৪০ হাজারের বেনারসি গায়ে জড়ানোর আগে ঝরনা ছাইড়া দেওয়া গরম জলে সব ছাইড়া যাওয়া কিসসা ধুইয়া না ফেলাইলে গা থেইকা গন্ধ বাহির হয়। গরম জলে গোসল দিয়া তুমি আমারে কতোটুকু ধুইতে পারবা আমার শেষ গোসলের আগে জানাইয়া দিও।
Comments
Post a Comment